Latest Blog Post

ফুটবলরঙ্গ (ক্রীড়ারঙ্গ?) - ৪

বাংলাদেশীদের ফুটবল উন্মাদনা নিয়ে নানাজন নানান বিশ্লেষন করছেন। কোনটা গ্রহনযোগ্য কোনটা এ্যানেকডোটাল। তবে সব গুলো পড়লে একটা ধারনা দাঁড়ায় মনের মধ্যে যে আসলে এই ফেনমেননের কারন কি? 

যে কোন স্টেডিয়াম ভর্তি গেম আসলে প্রাচীন রোমান গ্লাডেটরিয়াল কনটেস্ট। রোমের কলোসিয়ামে হাজার হাজার সিংহ বাঘ মোষ বুনোজন্তু ধরে আনা হতো মারপিট দেখার জন্য। স্লেভদের ধরে এনে ছেড়ে দেয়া হতো পরস্পরের সাথে মারামারা করার জন্য। 
কথিত আছে, রোমের কোলসিয়ামের একখন্ড মাঠে যতো রক্ত ঝড়ছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে স্ট্যালিনগ্রাদে এতো রক্ত ঝড়ে নাই। 
গ্যালারীতে উল্লাস আর রক্ততৃষ্ণা। কিছুটা ধরা পেতে গ্লাডিয়েটর মুভিটা দেখা যায়, যেখানে রাসেল ক্রো একজন স্লেভ হিসাবে প্রতিপক্ষকে কচুকাটা করার পর গ্যালারীর দর্শকদের দিকে হাতিয়ার ছুড়ে মেরে জিজ্ঞেস করে "আর ইউ নট এন্টারটেইনড"। 

বর্তমান যামানায় সেই রক্ততৃষ্ণা নাই, কিন্তু পৃথিবী মোটামুটি সব কটা দেশেই রোমান কলোসিয়ামের মতো বড়ো বড়ো স্টেডিয়াম তৈরী হয়েছে। রোমানরা বলতো যে "গিভ দেম ব্রেড এন্ড এন্টারটেইনমেন্ট এন্ড দে উইল নেভার রেবেল এ্যাগেইন্সট দ্য রুলিং ক্লাস"

এইকারনের শাসক শ্রেনী সব সময়ই খেলাধুলায় কৃতিত্বের পিছনে ছোটে, সেটা রেলিজিয়াস অপ্রেসিভ সৌদি আরব হৌক, গণতন্ত্রের বর্গদার আমেরিকা হৌক, একদল একদেশের অথরেটেরিয়ান চীন হৌক। মেকি দেশপ্রেমে উদ্ধুত্ করে সব দেশে আসল রাজনীতি আর লুটপাট থেকে নজর এড়ানোর জন্য খেলাধুলা একটা ম্যাসিভ টুল শাসক শ্রেনীর জন্য। এটা ধর্মের মতো একটা কার্যকরী টুল। 

ফুটবল অনেক জনপ্রিয় ল্যাটিন আমেরিকাতে আর ইউরোপে। এতো জনপ্রিয় এটা রিলিজিয়নের সমতুল্য। কাপও কখনো ইউরোপ বা ল্যাটিন আমেরিকার বাইরে যায়নি আজ পর্যন্ত। কেন ল্যাটিন আমেরিকাতে ফুটবল এতো জনপ্রিয় কিন্তু আমেরিকাতে বা চীনে নয়। এটার পিছনের রাজনীতি জড়িত। আরো বিশদ করে বলতে গেলে কলোনিয়ালিজম। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ইত্যাদি দেশে ক্রিকেট যেভাবে বিস্তার লাভ করেছে। ব্রাজিল আর্জেন্টিনা, পেরু, বলেভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া ইত্যাদি দেশ গুলোতে স্পেনিশ আর পর্তুগীজ কলোনী হবার কারনেই ফুটবল এতো জনপ্রিয় হয়েছে। 

আমেরিকা, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, চীন কখনো ফুটবলে পদক পায়নি আবার অলিম্পিকে কিন্তু তাদের রমরমা। অর্থ্যাৎ ওয়ার্ল্ড ক্লাস এথলিট থাকলে তাদের সেই কালচারটা নাই। ফুটবল যেমন ল্যাটিন আমেরিকা আর ইউরোপের রক্তে মিশে আছে। কালচার না থাকলে আপনি কখনো টপ লেভেলে কম্পিট করতে পারবেন না। কারনে কানাডা আমেরিকাতে বিশাল বিশাল ফুটবল মাঠ আর শক্তিশালি এথলিট থাকলেও বিশ্বকাপে তারা ভালো করতে পারে না। 

আমি মনে করি, ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৬ জন ফুটবলার বের করার ব্যাপারে বাংলাদেশ দোষ দেয়াটা অর্থহীন। ভারতে ১২০ কোটি মানুষ, পাকিস্তানে ২০ কোটি, শ্রীলংকার ক্রিকেটে ১টা বিশ্বকাপ আছে। তাদের দল তো বিশ্বকাপে খেলে না, ফুটবলে তেমন একটা ভালো না। 
ভারতে হকিতে, ক্রিকেটে সর্বোচ্চ মানের এথলিট তৈরী করতে পেরেছে কারন তাদের কালচার ছিলো। 

১৯৮৩ এর বিশ্বকাপ জয়টা পুরো উপমহাদেশীর জীবনের ক্রিকেট জড়িয়ে ফেলেছে। ভারত যদি বিশ্বকাপ না জিততো তাহলে এখনো ক্রিকেট এতো জনপ্রিয় হতো না। 

খেলাধুলার দোষ এবং গুন এটাই যে খেলাধুলা মাদকের মতোই আপনার দুঃখ দুর্দশা ভুলিয়ে দিবে। আপনি যতো নিকৃষ্ট হন দেখতে, অচ্ছুত হন, সবচে বোকা হন, সবচে খারাপ স্টুডেন্ট হন, খেলা মাঠে আপনি রাজা যদি আপনি ভালো খেলোয়ারজন। 

১৯৮৩ বিশ্বকাপের পর পাকিস্তান মরিয়া হয়ে উঠে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য, ১৯৯২ এ জিতেও যায়। শ্রীলংকাও ভারতের পিছুপিছু ১৯৯৬ এ জিতে যায়। এরপর গোটা উপমহাদেশে ক্রিকেটকে ঘিরে যে উন্মাদনা আসে তাতেই ফুটবল পিছয়ে যায়। 
কাছাকাছি ফেনমেনন আপনি দেখবেন যে ২০০৭ এ টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতে কিভাবে টি টুয়েন্টির প্রসার হয়েছে। 

মানুষ যে কোন ভাবেই তারা যে ফেলনা না তা প্রমান করতে চায়, এটা ক্রিকেট হলেও সই যেটা সাকুল্যে ১০-১২ দেশের বেশী কেউ খেলে না। কানাডিয়ানরাও আইস হকিতে বিশ্বকাপ জিতলে আর কিছু চায় না। 

ক্রিকেটে যেমন উপমহাদেশের শতবছরের কালচার ছিলো, উপমহাদেশীয়রা দেখেছে ইংরেজরা কিভাবে ক্রিকেট খেলে। ক্রিকেটে হকিতে এমনকি ফুটবলে উপমহাদেশ ইংল্যান্ডকে ফলো করেছে। কলোনিয়াল হ্যাং ওভার আর কি? প্রভুর জাতে উঠার চেষ্টা। 

একই কান্ড ঘটছে, আর্জেন্টিনায়, ব্রাজিলে, সাউথ আমেরিকান দেশ গুলোতে

সাউথ আমেরিকার দেশগুলোর লং ট্রাডিশন আছে জনগণের গায়ের সাদাকরন প্রকল্পে। ব্রাজিলের ৫০ এর কাছাকাছি জনসংখ্যা কালো, কিন্তু কোন প্রমিনেন্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কালো নয়।তাদের জনপ্রিয় টিভি সিনেমার কোন চরিত্রও কালো নয়। যদি কালো হয়েও থাকে তাহলে সেটা করে একজন সাদা গায়ের চামড়ার লোক। 
আর আর্জেন্টিনা তো হোয়াইট সুপ্রেমেস্টি প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন করেছে সাউথ আমেরিকাতে। ১৫০ বছর আগেই ইউরোপিয়ান ইমিগ্রেন্টদের সুযোগ সুবিধা দিয়ে, আর কালোদের উপর গণহত্যা চালিয়ে আর্জেন্টিনার মাত্র ৫% জনসংখ্যা দাবী করে তাদের একজন কালো পুর্বপুরুষ ছিলো। 
এগুলো ডিরেক্ট কলোনায়াল প্রভুদের ফ্লাগ বেয়ারারার হিসাবে করা হয়েছে। 
। 

প্রভুকে হারানোর মতো তৃপ্তি আর কিছুতে নাই। সেটা ক্রিকেটের মাঠে হৌক কিংবা ফুটবলের মাঠে। 
এছাড়া কোন দল যদি বিশ্বকাপ জিতে তাহলে তার প্রভুত ইম্পেক্ট পড়ে সেই দেশের অর্থনীতির উপর। মানুষ বেশী কর্মচঞ্চল হয়, হাসিখুশী হয়, কাজ বেশী করে। 

সেই সুযোগটাই কাজে লাগায় শাসক শ্রেনীরা। এর সবচে বাজে উদাহরন হতে পারে নাজি পার্টির রুলের সময় জার্মানীর অলিম্পিকে অংশগ্রহন। নিজের বর্বরতম প্রপাগান্ডা হালাল করতে শাসক শ্রেনী ক্রীড়ামাদকের সাহায্যে নেয় সব সময়। বর্তমানে ধর্ম নয়, ফুটবল হচ্ছে মানুষের জন্য আফিম স্বরুপ। 

বেনিতো মুসলিনী যে হিটলারের সহযোগী ছিলো ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়। লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যার জন্য যারা দায়ি। সেই মুসলিনী ১৯২২ সাল থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত ইটালিতে ক্ষমতায় ছিলো। বিশাল অংকের টাকা ফুটবল স্টেডিয়াম, ফুটবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করেছিলো সে। ফলস্বরুপ ইটালি ১৯৩৪ আর ১৯৩৮ বিশ্বকাপ জিতে। ১৯৩৪ তে বিশ্বকাপের হোস্টও ছিলো ইটালী।
//Italian newspaper Il Popolo D’Italia called the Italy team that won the 1934 World Cup a “vision of harmony, discipline, order, and courage.” It was a victory that reinforced notions of Italian greatness and, no doubt, pleased Mussolini. American sports writer John Tunis wrote, in 1936, that an “Italian triumph in football, cycling, tennis, or any other sport, particularly if over old rivals like the French, is seized upon, written up and paraded as proof positive of the superiority of the race and its governing principles.”//
অর্থ্যাৎ সুপ্রেমেসি থিওরী প্রচারের জন্য ফুটবলের জয় একটা বিশাল হাতিয়ার হিসাবে কাজ করেছিলো। 

ইউরোপের আরেক ডিক্টেটর, ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো এই ঘটনা থেকে কিউ নিয়ে ইউরোপের সেরা খেলায়ার ফ্রাক্স পুসকাস, ডি স্টেফানো ইত্যাদিদের দিয়ে সর্বকালের সেরা টিম রিয়েল মাদ্রিদকে তৈরী করে। ক্লাব প্রেসিডেণ্ট ছিলো সান্তিয়াগো বার্নেবু যে ছিলো ফ্যাসিস্ট পার্টির এক্স সোলজার। রিয়েল মাদ্রিদ যদিও জাতীয় দল ছিলো না কিন্তু মুসলিনির জন্য ইটালী দল যে কাজ করেছিলো, রিয়াল মাদ্রিদ ফ্রাংকোর জন্য একই সুবিধা দিয়েছিলো। মানুষ বুদ হয়েছিলো ফুটবল মাদকে। 
ফ্রাংকো রিয়াল মাদ্রিদকে সাপোর্ট করার কারনে বার্সিলোনা টিমের প্রতি সবচে রুষ্ট আচরন করতো। আর জনগন ফ্রাংকোর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে পারতো না মৃত্যুর ভয়ে তারা রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়ারদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতো। 

প্রাক্তন জায়ার আর বর্তমান কঙ্গোর স্বৈরশাসক নুবুতো ৬০ আর ৭০ দশকের জায়ার ফুটবল টিমকে দিয়ে তাদের ইমেজ পুনুরুদ্ধারের চেষ্টা করেছে। জায়ার টিম ১৯৬৮ সালে আফ্রিকান কাপ জিতে, ১৯৭৪ এও জিতে আর বিশ্বকাপে চান্স পায়। 
জায়ারে প্লেয়ারের পিছনের বন্যার মতো টাকা ঢালা হচ্ছিলো, যখন বিশ্বকাপে প্রথম গেমে স্কটল্যান্ডের কাছে জায়ার হেরে যায়। তখন মুবতো প্লেয়ারদের বেতন বোনাস বন্ধ করার জন্য হুমকি দেয়। পরবর্তি ম্যাচে জায়ার ৯-০ গোলে পরাজিত হয় যুগোশ্লাভিয়ার কাছে। 
মুবতো তার পার্সোনাল আর্মি পাঠিয়ে হুমকি দেয়া যে প্লেয়ারদের খুন করা হবে যদি তারা ব্রাজিলের কাছে হারে আর তাদেরকে কখনো দেশে ফিরতে দেয়া হবে না। 
সেই খেলায় ব্রাজিলের ফ্রিকিকের সময় খেলোয়াররা এতো প্রেশারে ছিলো যে ওয়াল থেকে দৌড়ে এসে একজন প্লেয়ার ফ্রি কিক নেয় আর ব্রাজিলের প্লেয়ারদের গালাগালি শুরু করে। ব্রাজিলের প্লেয়াররা জানতো না তারা কি খাড়া মাথায় নিয়ে খেলতে নেমেছিলো। 

আর্জেন্টিনার ১৯৭৮ এর বিশ্বকাপ জয় তার একটা প্রকৃষ্ট উদাহন হয়ে থাকবে। আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসক ৩০০০০ মানুষকে গুম খুন করেছিলো, যার প্রতিবাদে সবচে খ্যাতিমান ডাচ প্লেয়ার ইয়ুহান ক্রুয়েফ ১৯৭৮ বিশ্বকাপে অংশ নেননি। 
এছাড়াও আর্জেন্টাইন স্বৈরশাসক জর্গ ভেডলা আর্জেন্টিনা আর পেরুর ম্যাচটা পাতিয়ে ৬-০ গোলে জিতে যেটা একমাত্র আর্জেন্টিনা পরবর্তী পর্বে নিয়ে যায়। 
পরবর্তীতে যদি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতে কিন্তু মানুষের অত্যাচার মানুষের কন্ঠস্বরকে স্বৈরশাসক রুখতে পারেনি। ইউরোপীয়রা ঘরে বসে বসে আর্জেন্টিনার মানুষের কি রকম অত্যাচার চলে তার বর্ণনা পড়তে শুরু করে। 

ব্রাজিলের সামরিক জান্তারাও সত্তর দশকে আর্জেন্টিনার মতোই ফুটবলকে কেন্দ্র করে তাদের সামরিক শাসনের উন্নয়নের বন্যার তুবরী ছোটায়। কিন্তু আর্জেন্টিনার মতো সামরিক শাসকরা সুবিধা করতে পারে না। কারনে ১৯৭৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিল হেরে বিদায় নেয় হল্যান্ডের কাছে, আর ১৯৭৮ এর বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ম্যাচ ফিক্সিং এর কারনে ব্রাজিল বিদায় নেয়। 
ব্রাজিলের মানুষজন ব্রাজিলের প্রতিবাদী প্লেয়ার সক্রিটিসকে ঘিরে জান্তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়, এখনই ইলেকশন দাও Direitos Ja! (“Direct elections now!”) । করিন্থান ডেমোক্রেসি মুভমেন্ট শুরু হয়ে সকার ক্লাব থেকে যার কেন্দ্রে ছিলো সক্রেটিস। 
তাদের ডেমোক্রেটিক সোস্যালিস্ট মুভমেন্টের মূল কথাই ছিলো "উইন অর লুজ, বাট অলওয়েজ উইথ ডেমোক্রেসি"। 

বাংলাদেশের মানুষের ফুটবল উন্মাদনা বোঝার জন্য আবেগী ল্যাটিন আমেরিকার মানুষদের ক্রীড়ামাদকে কিভাবে ডুবিয়ে রাখার চেষ্টা চলেছে সেটা দেখায় যথেষ্ট। বাংলাদেশের মানুষ্কে সিস্টমেটিক্যালি ছোট করে, আত্মসম্মানজ্ঞানহীন মানুষ, দুর্বল নৈতিকতার মানুষ হিসাবে তৈরী করা হচ্ছে। এটা বাংলাদেশকে যারা নিয়ন্ত্রন করে তাদের প্রজেক্ট। এইজন্য যে কোন ধরনের উন্মাদনকে তারা প্রশয় দেয় সেটা ক্রিকেট নিয়ে হৌক কিংবা ফুটবল নিয়ে হৌক, কিন্তু একে ঘিরে কোন মুভমেন্ট তৈরি হৌক এটা তারা কখনোই চায় না। ভারতীয় ক্রিকেট উন্মাদনার আদলে তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশী ক্রিকেট চেতনা। এটা সচেতনেই করা হচ্ছে। 

বর্তমানের আপনি সৌদি অথরেটেরিয়ান রিজিমের প্রধান সালমানকে যখন দেখেন ফুটবল মাঠে, যখন বিরোধী দল আর সংবাদমাধ্যমকে কচুকাটা করা পুতিন বিশ্বকাপ হোস্ট করে, যখন শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের আসল কোচ সেজে তাদের কোটি কোটি টাকা উপহার দেয়া, এগুলো সব ক্রীড়াকে মাদক হিসাবে ট্রিট করে জনগণকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা রাজনীতির জন্যই। 

একই কারনে পাকিস্তানের জেনারেল জিয়া ইমরান খানকে অবসর থেকে ফিরায় আনেন। একই কারনে ভারত পাকিস্তানের সাথে ফুটবল হকি সহ অন্যান্য খেলা খেল্লেও বাই ল্যাটারাল সিরিজ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়।

জাতীয়তাবাদী মাদক হিসাবে ফুটবল আর ক্রিকেটের কোন তুলনা নাই