Latest Blog Post

সোস্যালি অকওয়ার্ড টেরোরিজম

কানাডার ভ্যান চালিয়ে মানুষ হত্যাকারী Alek Minassian সম্পর্কে আরো কিছু আপডেট পাওয়া গেছে।
হামলা করার আগে সে নিজেকে ইনসেল রেবেলিয়ন হিসাবে দাবি করে প্রতিশোধ নিতে যাচ্ছে বলে পোস্ট দিয়েছিলো।

ইনসেল হলো যাদের মেয়েদের সাথে কোন রোমান্টিক সম্পর্ক বা সেক্সের অভিজ্ঞতা নাই। এইরকম একটা ঘটনা ঘটেছিলো ২০১৪ তে। ক্যালিফোর্নিয়াতে রজার এলিয়ট নামে একজন ৩ জনকে ছুরি দিয়ে মেরে, ৭ জনের উপর গাড়ী তুলে মেরেছিলো।
এলেক হামলা চালানোর আগের রজার এলিয়টকে সুপ্রিম জেন্টলম্যান হিসাবে বর্ননা করে।

শুধু তাই না সে ফোর চ্যান সাইটে অল্ট রাইট এর ফলোয়ার ছিলো।
এমনিতেও যারা অল্ট রাইট তারা নারীবিদ্বেষী প্রকৃতি হয়।

ব্যাসিকালি ইনসেল মুভমেন্টের সাথে যারা জড়িত তারা মেয়েদের পতিতা মনে করে। তারা মনে করে মেয়েরা তাদেরকে নির্যাতন করার জন্য মানসিক চাপে রাখছে। তাদেরকে দেখানোর জন্য অন্য ছেলেদের সাথে সম্পর্ক করে।
এরা সোস্যালি অকওয়ার্ড হয়। শেষমেষ বিভিন্ন কন্সপিরিসি থিওরী দিয়ে মাথা নষ্ট হয়ে মানুষকে খুন করার জন্য উঠে পরে লাগে।
নিজের সোস্যাল অকওয়ার্ডনেস, মেয়েদের সাথে সম্পর্ক করতে পারার অক্ষমতাকে অন্য উপর দায় দিয়ে প্রতিশোধ নিতে তৎপর হয়।

খুবই স্বাভাবিক ভাবে এটাকে টেরোরিজমের সাথে জড়িত করা হয় নাই। যদিও সে টেরর ছড়িয়েছে কিন্তু এটা টেরোরিজম না। এখন যদি কোন মুসলমান ইনসেল হয়, মানসিক ভারসাম্যহীন হয় সেটা কিন্তু কখনোই ধার্তব্যের মধ্যে আসবে না। মুসলমান পরিচয় থাকলে নিশ্চিত ভাবেই সে টেরোরিস্ট।

ইনসেল মুভমেন্ট হৌক আর ম্যাস শূটিং ম্যাস কিলিং হৌক। এসব দেশে থাকলে বোঝা যায়। এখানে মানুষে মানুষে কতোদূরত্ব। ব্যক্তিগত সামান্য অসুবিধার জন্য কেউ যোগাযোগ পর্যন্ত রাখতে চায় না। সবচে চমৎকার উদাহরন হলো, যখন টেরোরিস্টের সাথে স্ট্যান্ড ডাউন হচ্ছে পুলিশ অফিসারের তখন মানুষজন স্বাভাবিক ভাবেই হেটে হেটে যাচ্ছে। যেন এসব কোন ব্যাপার না।
এইখানে সবাই নিজের নিজের বাবলে থাকে।

ম্যাস শূটারদের বুলেট আর ইনসেল,মানসিক ভারসাম্যহীণদের ভ্যান
তাদের বাবলটা ভাঙ্গতে চায় আসলে। বাবলটা ভাঙ্গার সাথে সাথে মানুষটাও মরে যায়। যদি অন্য কোন ভাবে বাবল ভাঙ্গতে পারতো তাহলে হয়তো তারা মানুষ না মেরেই বাবল ভাঙ্গতে চাইতো।

এইদেশে বাচ্চাজন্ম নেয়ে মাত্রই তাদেরকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বাবল পরিয়ে দেয়া হয়।

এইরকম এ্যাটাকের ঘটনা ঘটা খুব স্বাভাবিক। আরো বেশী যে ঘটনে সেটাই অস্বাভাবিক।

হ্যা কানাডার একটা দিক ভালো আছে আমেরিকার থেকে। সেটা হলো পুলিশ ট্রিগার হ্যাপি না। আমেরিকা হলো এই ব্যাটা ৪ বার মারা যেতো। কানাডার পুলিশ তার সেলফোন দেখেও তাকে গুলি করে মারেনি। এমনকি তাকে শূট করতে বলার পরও গুলি করেনি। এমনকি পকেটে পিস্তল আছে বলার পরও গুলি করেনি।

এখানেই কানাডার সাথে আমেরিকার পার্থক্য।