Archive :: 2009

ওয়ারাকা ইবন নওফলের তেমন ভুমিকা ছিলো না নবুয়ত্বপ্রাপ্তির পরে

ওয়ারাকা ইবন নওফল, খাদিজার ভাই- মুহাম্মদের জ্ঞাতি চাচা- তার ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে বিশেষ কিছুই জানা যায় না, বরং তার ভাষ্যে এটাই প্রতিষ্ঠিত হয় যে সে জানতো একজন ত্রাতার আগমন ঘটবে অতিশীঘ্রই, এবং মুহাম্মদ সম্ভবত সেইজন, সুতরাং সে নিয়মিত খাদিজার সাথে যোগাযোগ রাখতো এবং অপেক্ষা করতো। আর কতদিন, আর কতদিন। [সূত্র সিরাত ইবন হিশাম]  অতঃপট সত্যি সত্যি একদিন ওহী নাজিল হলো, মুহাম্মদ প্রতিবছর রমজান মাসে একাকী প্রার্থনা করতে যেতো, এমনই কোনো এক সময়ে শবে কদরের রাত্রে জিব্রাঈল এসে বললো পড়ো তোমার প্রভুর নামে.............. যিনি তাকে শিখিয়েছেন যা সে জানতো না। এই ঘটনার মুহাম্মদ ভীত হয়ে ছুটে চলে আসে বাসায

Continue Reading

বিশ্বের ধর্মীয় সংঘাত আদতে ইব্রাহিমের উত্তরাধিকারিত্বের লড়াই যেখানে অযথাই অন্য সবাই জড়িয়ে পড়েছে

ইতিহাস অদ্ভুত বৈপিরিত্বময় বর্ননা আমাদের সামনে নিয়ে আসে। আমাদের ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং ধর্মীয় হানাহানি এবং পরস্পরকে ধর্মান্তরিত করবার প্রক্রিয়াগুলো অদ্ভুত সব বিশ্বাসের উপরে দাঁড়িয়ে। ইব্রাহিম, তার বৃদ্ধা এবং সন্তানধারণে অক্ষম স্ত্রীর অনুরোধে একজন দাসীর গর্ভে তার বংশধরের জন্ম দেন। দাসিপূত্র ইসমাইল এবং হাজেরাকে সন্তনসহ নির্বাসন দেন আরবের মরুভুমিতে। তৃষ্ণার্ত ইসমাইলের কষ্টে কাতর হাজেরা পানির খোঁজে যখন সাত বার দৌড়াচ্ছেন এ মাথা ও মাথা তখনই ইসমাইলের পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে পানি বের হলো, পবিত্র জমজম কুপ।  তবে ইব্রাহিমের স্ত্রী যখন ইসহাকের জন্ম দিলেন কিংবা যখন ইসহাক সারাহর গর্ভে তখনই আদতে

Continue Reading

ইসলামের জন্মের পেছনে অন্তত একজন ডাকিনীর ভুমিকা প্রবল

আল তাবেরী, ইসলামের ইতিহাসের প্রথম ঐতিহাসিক যিনি ইসলামের ইতিহাসের একটা সংকলন করেছিলেন। সম্ভবত তার ইতিহাসকে লিখিত ইতিহাস বলা যায় না, বরং বলা যায় প্রচলিত তথ্যগুলোকে একত্র করে রাখবার একটা প্রয়াস । কোথাও তার কোনো বক্তব্য নেই, প্রতিটা প্রচলিত ঘটনারই বর্ণনা সেখানে আছে।  কোনোটা বেশী বিশ্বাসযোগ্য কোনোটা কম। হয়তো সকল ঘটনাই বাস্তব নয় বরং এদের কিছু কিছু অংশ সত্যি। মুহাম্মদের দাদা আব্দুল মুত্তালিব শপথ করেছিলেন যদি তার ১০ ছেলেই যুবক হয় তবে তাদের একজনকে তিনি বলি দিবেন। যখন তারা সবাই যুবক হলো তখন তিনি দুশ্চিন্তায় পড়লেন- ১০ জনের কাকে তিনি বলি দিবেন।  কা'বা প্রাঙ্গনে ছিলো হুবালের উঁ

Continue Reading